রোজা ভঙ্গের শাস্তি

রোজা ভঙ্গের শাস্তি

রমজানের পুরো মাসে রোজা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। ইসলামে রোজা ভঙ্গ করা গুরুতর বিষয়, বিশেষ করে ইচ্ছাকৃতভাবে। হাদিস ও কুরআন অনুযায়ী রোজা ভঙ্গের শাস্তি আলাদা পরিস্থিতিতে ভিন্ন।


১.রোজা ভঙ্গের ধরণ

ক) ইচ্ছাকৃতভাবে ভঙ্গ করা

কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভঙ্গ করলে, সে কাফফারা দেবে।

কাফফারা হলো দুটি ধারাবাহিক মাস রোজা বা গরিবদের জন্য খাদ্য দান।


খ) অসুস্থতা বা ভ্রমণের কারণে ভঙ্গ

এই ক্ষেত্রে কোনো শাস্তি নেই, তবে রোজা পরে দিতে হবে।

হাদিসে এসেছে, নবীজি Prophet Muhammad বলেছেন, অসুস্থ বা সফরকারী ব্যক্তি পরে রোজা রাখতে পারবেন।


২️.কফারার নিয়ম

ধাপ–১: ধারাবাহিক রোজা রাখা

ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভঙ্গকারীর জন্য ৬০টি ধারাবাহিক রোজা রাখার পরামর্শ (হানাফি মত অনুযায়ী)

শারীরিকভাবে অসম্ভব হলে ধাপ–২ প্রয়োগ করা হয়


ধাপ–২: গরিবদের খাদ্যদান

৬০ জন গরিবকে এক দিন করে খাওয়ানো

বা তাদের খাদ্যের জন্য অর্থ প্রদান

উৎস: Quran (সূরা বাকারা ২:১৮৭)


৩️.দোষ ও সতর্কতা

ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভঙ্গ করা সিরিয়াস গুনাহ।

আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা ও সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কফফারা করা আবশ্যক।

নবীজি বলেছেন: “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভঙ্গ করে, আল্লাহর প্রতি সে অবাধ্য।”


৪️.সংক্ষিপ্ত পরামর্শ

রোজার নিয়ম ঠিকমতো মানা

অসুস্থ বা সফরের সময় রোজা পরবর্তী সময়ে রাখা

ইচ্ছাকৃত ভঙ্গ হলে কাফফারা সম্পন্ন করা

অতিরিক্ত দোয়া ও ইস্তিগফার