রমজান মাসের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস

রমজান মাসের ফজিলত সম্পর্কে হাদিস

রমজান মাস ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাসগুলোর মধ্যে একটি। এতে নেকি ও ইবাদতের গুরুত্ব অনেক বেশি, এবং নবীজি Prophet Muhammad এর বহু হাদিসে এ মাসের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।


রমজান মাসের ফজিলত সম্পর্কে হাদিসসমূহ

১) রোজার ফজিলত

হাদিস:

নবীজি বলেছেন:

“যে ব্যক্তি রমজানে রোজা রাখে ঈমান ও তাকওয়া নিয়ে, তার অতীত সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যায়।”

উৎস: সহীহ বুখারি ও মুসলিম

অর্থ: রোজা শুধু ক্ষুধা-তৃষ্ণা না সহ্য করা, বরং আত্মসংযম ও আল্লাহভীতি অর্জনের মাধ্যমে পুরস্কার ও গুনাহমুক্তি দেয়।


২) লাইলাতুল কদরের ফজিলত

হাদিস:

নবীজি বলেছেন:

“যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদরের রাতে নামাজ ও দোয়া করে, সে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম ইবাদত লাভ করে।”

উৎস: সহীহ বুখারি

অর্থ: রমজানের শেষ দশকের কোনো লাইলাতুল কদর রাত এক রাতের ইবাদতের ফজিলত হাজার মাসের সমান।


৩) কুরআন নাজিল হওয়ার ফজিলত

হাদিস:

নবীজি বললেন:

“রমজান মাসে কুরআন নাজিল হয়েছে; তাই এই মাসে কুরআন পড়া এবং বোঝার চেষ্টা করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।”

উৎস: তিরমিজি

অর্থ: রমজান মাস কুরআনের বরকতের মাস।


৪) তারাবিহ নামাজের ফজিলত

হাদিস:

নবীজি বলেছেন:

“যে ব্যক্তি রমজানে আমার সুন্নাহ অনুযায়ী রাতের নামাজ (তারাবিহ) আদায় করে, তার পুরনো গুনাহ মাফ হয়।”

উৎস: সহীহ ইবনু খুজায়া


৫) সদকা ও রোজাদারের ফজিলত

হাদিস:

নবীজি বলেছেন:

“রমজানের একজন রোজাদার স্বয়ং আল্লাহর প্রতি অত্যন্ত প্রিয়; কারণ সে তার তৃষ্ণা ও ক্ষুধা আমার জন্য সহ্য করছে।”

উৎস: সহীহ বুখারি ও মুসলিম

অর্থ: রোজাদারের ইবাদত আল্লাহর কাছে খুবই প্রিয়।


সারসংক্ষেপ

রোজা রাখা → অতীত গুনাহ মাফ

লাইলাতুল কদর → হাজার মাসের চেয়ে উত্তম ইবাদত

কুরআন পাঠ → আল্লাহর বরকত ও ফজিলত

তারাবিহ নামাজ → পুরনো গুনাহ মাফ

সদকা ও সহানুভূতি → আল্লাহর কাছে প্রিয়