আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ এর ফজিলত

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ এর ফজিলত

আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ) একটি অত্যন্ত বরকতময় দরুদ, যার অর্থ: "হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন"। এটি সাধারণত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ ও তাঁর ওপর শান্তি কামনায় পাঠ করা হয়। 

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ।

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

গুরুত্ব: এটি সংক্ষিপ্ত ও প্রিয় দরুদ, যা জুমুআসহ প্রতিদিন পাঠ করা উত্তম। 

এটি নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের একটি সহজ ও শক্তিশালী উপায়।



আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ

 (اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ) 


একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহজ দরুদ, যার অর্থ—"হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন" । 

এই দরুদ পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি, ১০টি গুনাহ মাফ, ১০টি নেকি লাভ, উদ্বেগ থেকে মুক্তি এবং কেয়ামতের দিন নবী (সা.)-এর নৈকট্য লাভ করা যায়। 

এই দরুদ পাঠের বিশেষ ফজিলতসমূহ:

১০০টি রহমত ও শান্তি: এই দরুদ সকাল-সন্ধ্যায় ১০ বার করে পাঠ করলে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন এবং সব ধরনের দুঃখ-কষ্ট থেকে নিরাপদ রাখেন।

গুনাহ মাফ ও মর্যাদা বৃদ্ধি: এটি পাঠ করলে পাঠকারীর ১০টি গুনাহ মাফ হয় এবং ১০টি মর্যাদা (Grade) বৃদ্ধি পায়।

উদ্বেগ-দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি: এই দরুদ নিয়মিত পাঠ করলে জীবনের সব ধরনের উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

দোয়া কবুল: এই দরুদ পাঠ করার পর কোনো দোয়া করলে, তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

নবী (সা.)-এর নিকটবর্তী হওয়া: কেয়ামতের দিন যারা সবচেয়ে বেশি দুরুদ পাঠকারী হবে, তারা নবী (সা.)-এর কাছাকাছি থাকবে।

সালামের পূর্ণতা: এটি মূলত নবী (সা.)-এর প্রতি রহমত ও শান্তির অসিলা, যা আল্লাহর আদেশ (সূরা আহযাব: ৫৬) পালনে সহায়তা করে। 


সংক্ষেপে-

“আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ”

অর্থ: হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর উপর দরুদ ও শান্তি বর্ষণ করুন।


এই দরুদ শরিফ পড়ার অনেক ফজিলত রয়েছে।


দরুদ পড়ার ফজিলত

১) ১০ গুণ রহমত লাভ

Prophet Muhammad বলেছেন:

যে ব্যক্তি তাঁর উপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার উপর দশটি রহমত নাযিল করেন।


২) গুনাহ মাফ ও মর্যাদা বৃদ্ধি

একবার দরুদ পাঠ করলে—

১০টি গুনাহ মাফ হয়

১০টি নেকি লেখা হয়

১০ মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়


৩) দোয়া কবুলের মাধ্যম

দোয়ার শুরু ও শেষে দরুদ পড়লে দোয়া কবুলের আশা বেশি হয়।

কারণ দরুদ আল্লাহ অবশ্যই কবুল করেন—আর মাঝের দোয়াও কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।


৪) কিয়ামতের দিন নৈকট্য

হাদিসে এসেছে—যে ব্যক্তি বেশি দরুদ পড়বে, কিয়ামতের দিন সে নবীজির সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে।


৫) দুশ্চিন্তা দূর হয়

এক সাহাবি বেশি দরুদ পড়ার ইচ্ছা করলে নবীজি বলেছিলেন—

তাহলে তোমার দুশ্চিন্তা দূর হবে এবং গুনাহ মাফ হবে।


৬) আল্লাহর আদেশ পালন

Quran এ আল্লাহ বলেন যে, তিনি ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর উপর দরুদ পাঠ করেন—তাই মুমিনদেরও দরুদ পাঠ করতে বলা হয়েছে (সূরা আহযাব ৩৩:৫৬)।


কখন বেশি পড়বে?

জুমার দিন

দোয়ার আগে ও পরে

নামাজের শেষ বৈঠকে

সকাল-সন্ধ্যার জিকিরে

বিপদ ও কষ্টের সময়